বিজ্ঞাপন:
সংবাদ শিরোনাম:
ভজনপুরে অবসরজনিত বিদায় সংবর্ধনায় আবেগঘন পরিবেশ, বিদায় নিলেন শিক্ষক আব্দুর রশীদ বাড়ইপাড়া শাখার শ্রমিক ইউনিয়নের কমিটি গঠন, সভাপতি হুমায়ুন কবির, সম্পাদক রফিকুল গাজীপুরের কালিয়াকৈরে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন ভুল বুঝতে পেরে প্রাক্তন প্রধান শিক্ষককে ফেরাতে শিক্ষার্থীদের আকুতি: জেলা প্রশাসকের কাছে আবেদন পদার্থবিজ্ঞানে পড়াশোনা করে প্রেসক্রিপশন, জগদল বাজারের ফার্মেসিকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা মুন্সিগঞ্জে বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে দু’গ্রুপের সংঘর্ষ, ওসিসহ আহত ১০ লালমনিরহাটে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অ’ভিযান, পদ্মকলি সুইটসসহ কয়েক প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা লালমনিরহাটের কালিগঞ্জ পিআইও অফিস যেন অনিয়ম ও ঘুষের আখড়া জিপিএ-৫ পেলেই সফল হওয়া যায় না, আগে ভালো মানুষ হতে হবে’—প্রতিমন্ত্রী আজাদ সার ডিলারদের নিয়ে গুজব ছড়ানোর সুযোগ নেই: পঞ্চগড়ে পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী
টাঙ্গাইলে ঐতিহ্যবাহী জামাই মেলায় দর্শনার্থীদের ঢল

টাঙ্গাইলে ঐতিহ্যবাহী জামাই মেলায় দর্শনার্থীদের ঢল

টাঙ্গাইল প্রতিনিধি: টাঙ্গাইলে প্রায় দেড়শ বছরের পুরোনো ঐতিহ্যবাহী জামাই মেলা শুরু হয়েছে। শুক্রবার (২৫ এপ্রিল) সকাল থেকে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার রসুলপুর বাছিরননেছা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে তিন দিনব্যাপী এই মেলা শুরু হয়। জামাই-বউ ছাড়াও সাধারণ মানুষের উপস্থিতিতে মেলা প্রাঙ্গণ উৎসবে পরিণত হয়েছে।

জানা গেছে, প্রায় দেড়শ’ বছর ধরে সনাতন পঞ্জিকা অনুসারে প্রতিবছর ১১, ১২ ও ১৩ বৈশাখ রসুলপুরে তিন দিনব্যাপী জামাই মেলা বসে। মেলাকে কেন্দ্র করে আশপাশের অন্তত ৩০ গ্রামের বিবাহিত মেয়েরা তাদের স্বামীকে নিয়ে বাবার বাড়ি চলে আসেন। আর মেলা উপলক্ষে জামাইকে বরণ করে নেওয়ার জন্য শ্বশুর-শাশুড়িরাও বেশ আগে থেকেই নেন নানা প্রস্তুতি। ঐতিহ্য অনুযায়ী মেলার সময় শাশুড়িরা মেয়ের জামাইয়ের হাতে কিছু টাকা দেন। সেই টাকার সঙ্গে জামাইরা তাদের টাকা দিয়ে মেলা থেকে শ্বশুরবাড়ির সবার জন্য বাজার করেন। মেলাটি জামাই-বউসহ সবাই খুব আনন্দে উপভোগ করেন।

মেলায় দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে এসেছেন দোকানিরা। বিভিন্ন ধরনের খেলনা, প্রসাধনী, খাবারের দোকান, মিষ্টির দোকানসহ ছোট-বড় দোকান বসেছে। বৈশাখের ভ্যাপসা গরমের মাঝেও মেলায় হাজারো মানুষের ঢল নেমেছে। কেউ ঘুরছেন আবার কেউ বিভিন্ন পণ্য কিনছেন। মেলায় আসতে পেরে খুশি দর্শনার্থীরা।

মিলন মাহমুদ নামের এক দর্শনার্থী বলেন, মেলাটি জামাই মেলা নামে পরিচিত। মেলাটিকে কেন্দ্র করে এই এলাকার জামাইরা একত্রিত হয়। এমন মেলায় আসতে পেয়ে খুবই আনন্দিত।

রসুলপুরের বাসিন্দা লেখক রাশেদ রহমান বলেন, প্রায় দেড়শ বছর ধরে এই মেলাটি অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। এলাকার মানুষের কাছে ঈদ বা পূজা-পার্বণের মতোই এই মেলা একটি উৎসব। মেলাটি বৈশাখী মেলা হিসেবে শুরু হলেও এখন এটি জামাইমেলা হিসেবে পরিচিত।

আয়োজক কমিটির সদস্য সচিব আনিসুর রহমান বলেন, মেলা সফল করতে সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। মেলায় দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে এসেছেন দোকানিরা। তারা খাবারের দোকান, মিষ্টিজাতীয় পণ্যের দোকানের পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের খেলনা, প্রসাধনীর দোকানও দিয়েছেন। এ ছাড়া মেলায় একাধিক ফার্নিচারের দোকানও বসেছে। রসুলপুরের এই মেলাটি বাংলাদেশের মধ্যে অন্যতম। আগামী রোববার (২৭ এপ্রিল) সন্ধ্যায় এ মেলা শেষ হবে। তিন দিনে মেলায় ২ কোটি টাকার ওপরে বাণিজ্য হবে।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি।
Design & Development BY : ThemeNeed.com